বর্তমানে মানুষের সুযোগ সুবিধা অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে স্মার্ট ফোন অ্যাপস। অজানা পথের রাস্তা দেখানো থেকে ব্যাংকের টাকা তুলা, মোবাইলে কেনা বেচা ...
বর্তমানে মানুষের সুযোগ সুবিধা অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে স্মার্ট ফোন অ্যাপস। অজানা পথের রাস্তা দেখানো থেকে ব্যাংকের টাকা তুলা, মোবাইলে কেনা বেচা সবই এখন ঘরে বসে মোবাইল অ্যাপসের বদউলতে হচ্ছে। এত সুবিধার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরণের অ্যাপস ব্যবহার করে থাকি। ইনস্টল করে থাকি আমাদের মোবইলে। তবে মনে রাখতে হবে অ্যাপস গুলো যখন এত সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে তেমনি কিছু অ্যাপস আপনার ক্ষতি করছে। কীভাবে? তাই জানাব আজকের এই পোস্টে। মনে রাখবেন অ্যাপস যতই কাজে আসুক না কেন তা যদি তলে তলে আপনার ক্ষতি করে তবে এমন অ্যাপস ব্যবহার না করায় শ্রেয়। আজকে আমি আপনাদেরকে ৭ টি জনপ্রিয় অ্যাপস সম্বন্ধে জানাব যে গুলো আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এগুলো গুগল প্লেস্টোরে খুবই প্রয়োজনীয়। আসুন অ্যাপস গুলো দেখে নিই।
(১) কুইকপিক
ব্যবহারবান্ধব ও সহজে ফটো গ্যালারি ব্যবহারের কারণে কুইকপিক বেশ জনপ্রিয়। গতবছর চিতাহ মোবাইল এটি কিনে নেয়। তবে সম্প্রতি দেখা গেছে, কোম্পানিটি তার ব্যবহারকারীদের তথ্য নিজস্ব সার্ভারে আপলোড করছে। এতে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নষ্ট হতে পারে ও তিনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
(২) ইএস ফাইল এক্সপ্লোরার
অ্যাপটি কাজের হলেও এর বিনামূল্যের সংস্করণ ব্লটওয়্যার ও অ্যাডওয়্যারে পূর্ণ। কেটে দেওয়া যায় না এমন নোটিফিকেশন বার পপ-আপের মাধ্যমে অতিরিক্ত অ্যাপস ব্যবহারে বাধ্য করে। যা ব্যবহারকারীর মোটেই প্রয়োজন নেই এবং ভোগান্তির কারণ হতে পারে।
(৩) ইউসি ব্রাউজার
চীন, ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে অন্যতম জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজার হলো ইউসি ব্রাউজার। এর ফাস্ট মোডের কারণে অনেক ইন্টারনেট ডেটা সাশ্রয় হয় বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি। তবে চিন্তার বিষয় হলো ব্রাউজারটি তার ব্যবহারকারীর সার্চ কুয়েরি এনক্রিপশন ছাড়াই ইয়াহু এবং গুগলের কাছে পাঠায়। এর সাথে ব্যবহারকারীর আইএমএসআই নাম্বার, আইএমইআই নাম্বার, অ্যান্ড্রয়েড আইডি, ওয়াই-ফাই ম্যাক অ্যাড্রেসসহ নানা তথ্য থাকে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বড় ধরণের বিপদও হতে পারে।
(৪) ডলফিন ওয়েব ব্রাউজার
ডলটি বিজ্ঞাপন ফ্রি ফ্ল্যাশ সমর্থিত ব্রাউজার। যদিও এটি ইউসি ব্রাউজারের মতোই ব্যবহারকারীর কার্যক্রমে নজরদারি করে। যেমন আপনি ইনকগনিটো মোডে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করলেও এটি ঐ ফাইল ফোনে সেইভ করে রাখে। এতে আপনার গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(৫) ক্লিনইট
চিন্তায় পড়ে গেলেন যে কেনো এই অ্যাপটি ব্যবহারে মানা করা হচ্ছে? কারণ এর বিজ্ঞাপন দাতারা ব্যবহারকারীর নানা তথ্য পেয়ে থাকে। এছাড়া যেখন ক্যাশ ক্লিন করা হয় তখন ফোনটি ধীরগতির হয়ে পড়ে। র্যাম ক্লিন করতে গেলে অধিক ব্যাটারি ব্যবহৃত হয় এবং চলমান অ্যাপ বন্ধ করলেও তা ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ায় না, যা অ্যাপটি দাবি করে আসছে।।
(৬) মিডিয়া প্লেয়ার
অ্যাপটির নাম দেখেই বুঝতে পারছেন এটি ডিভাইসে থাকা অডিও ফাইল শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও অ্যাপটিতে অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন রয়েছে। অ্যাপটি অত্যাধিক ব্যাটারির চার্জ এবং ইন্টারনেট ডেটা নষ্ট করে ফেলে। গুগল প্লে স্টোরে যে পরিমাণ রিভিউ হয়েছে তা থেকে দেখা গেছে, অ্যাপটির গিগাবাইট পরিমাণ ডেটা খরচের অভিযোগ রয়েছে।
(৭) ডিইউ ব্যাটারি সেভার অ্যান্ড ফাস্ট চার্জ
ব্যাটারি সেভিং অ্যাপ হিসেবে ডিইউ ব্যাটারি সেভার কোনো কাজের না তাই এটি ব্যবহার না করাই ভালো। এটি প্রমানিত ভাবে সত্য যে অ্যাপটির দ্রুতগতিতে চার্জ দেওয়ার ক্ষমতা নেই। লক স্ক্রিনেও অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন দেখায় এবং নোটিফিকেশন বারে অযথা ভোগান্তির সৃষ্টি করে। এছাড়া এর স্পিড গ্রাফ ও অ্যানিমেশন আসলে নকল বলে প্রমাণ রয়েছে।
*আপনারা চাইলে আপনাদের মোবাইলে এই অ্যাপস গুলোর পারমিশন চেক করে দেখতে পারেন। দেখতে পাবেন অনেক গুলো বেকার পারমিশন তারা নিয়ে থাকে। যেখানে কন্টাক্টের কোনো কাজ নেই যেই অ্যাপের সেই অ্যাপ কন্টাক্ট রিড করার পারমিশন চেয়েছে।
(১) কুইকপিক
ব্যবহারবান্ধব ও সহজে ফটো গ্যালারি ব্যবহারের কারণে কুইকপিক বেশ জনপ্রিয়। গতবছর চিতাহ মোবাইল এটি কিনে নেয়। তবে সম্প্রতি দেখা গেছে, কোম্পানিটি তার ব্যবহারকারীদের তথ্য নিজস্ব সার্ভারে আপলোড করছে। এতে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নষ্ট হতে পারে ও তিনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
(২) ইএস ফাইল এক্সপ্লোরার
অ্যাপটি কাজের হলেও এর বিনামূল্যের সংস্করণ ব্লটওয়্যার ও অ্যাডওয়্যারে পূর্ণ। কেটে দেওয়া যায় না এমন নোটিফিকেশন বার পপ-আপের মাধ্যমে অতিরিক্ত অ্যাপস ব্যবহারে বাধ্য করে। যা ব্যবহারকারীর মোটেই প্রয়োজন নেই এবং ভোগান্তির কারণ হতে পারে।
(৩) ইউসি ব্রাউজার
চীন, ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে অন্যতম জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজার হলো ইউসি ব্রাউজার। এর ফাস্ট মোডের কারণে অনেক ইন্টারনেট ডেটা সাশ্রয় হয় বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি। তবে চিন্তার বিষয় হলো ব্রাউজারটি তার ব্যবহারকারীর সার্চ কুয়েরি এনক্রিপশন ছাড়াই ইয়াহু এবং গুগলের কাছে পাঠায়। এর সাথে ব্যবহারকারীর আইএমএসআই নাম্বার, আইএমইআই নাম্বার, অ্যান্ড্রয়েড আইডি, ওয়াই-ফাই ম্যাক অ্যাড্রেসসহ নানা তথ্য থাকে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বড় ধরণের বিপদও হতে পারে।
(৪) ডলফিন ওয়েব ব্রাউজার
ডলটি বিজ্ঞাপন ফ্রি ফ্ল্যাশ সমর্থিত ব্রাউজার। যদিও এটি ইউসি ব্রাউজারের মতোই ব্যবহারকারীর কার্যক্রমে নজরদারি করে। যেমন আপনি ইনকগনিটো মোডে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করলেও এটি ঐ ফাইল ফোনে সেইভ করে রাখে। এতে আপনার গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(৫) ক্লিনইট
চিন্তায় পড়ে গেলেন যে কেনো এই অ্যাপটি ব্যবহারে মানা করা হচ্ছে? কারণ এর বিজ্ঞাপন দাতারা ব্যবহারকারীর নানা তথ্য পেয়ে থাকে। এছাড়া যেখন ক্যাশ ক্লিন করা হয় তখন ফোনটি ধীরগতির হয়ে পড়ে। র্যাম ক্লিন করতে গেলে অধিক ব্যাটারি ব্যবহৃত হয় এবং চলমান অ্যাপ বন্ধ করলেও তা ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ায় না, যা অ্যাপটি দাবি করে আসছে।।
(৬) মিডিয়া প্লেয়ার
অ্যাপটির নাম দেখেই বুঝতে পারছেন এটি ডিভাইসে থাকা অডিও ফাইল শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও অ্যাপটিতে অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন রয়েছে। অ্যাপটি অত্যাধিক ব্যাটারির চার্জ এবং ইন্টারনেট ডেটা নষ্ট করে ফেলে। গুগল প্লে স্টোরে যে পরিমাণ রিভিউ হয়েছে তা থেকে দেখা গেছে, অ্যাপটির গিগাবাইট পরিমাণ ডেটা খরচের অভিযোগ রয়েছে।
(৭) ডিইউ ব্যাটারি সেভার অ্যান্ড ফাস্ট চার্জ
ব্যাটারি সেভিং অ্যাপ হিসেবে ডিইউ ব্যাটারি সেভার কোনো কাজের না তাই এটি ব্যবহার না করাই ভালো। এটি প্রমানিত ভাবে সত্য যে অ্যাপটির দ্রুতগতিতে চার্জ দেওয়ার ক্ষমতা নেই। লক স্ক্রিনেও অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন দেখায় এবং নোটিফিকেশন বারে অযথা ভোগান্তির সৃষ্টি করে। এছাড়া এর স্পিড গ্রাফ ও অ্যানিমেশন আসলে নকল বলে প্রমাণ রয়েছে।
*আপনারা চাইলে আপনাদের মোবাইলে এই অ্যাপস গুলোর পারমিশন চেক করে দেখতে পারেন। দেখতে পাবেন অনেক গুলো বেকার পারমিশন তারা নিয়ে থাকে। যেখানে কন্টাক্টের কোনো কাজ নেই যেই অ্যাপের সেই অ্যাপ কন্টাক্ট রিড করার পারমিশন চেয়েছে।

COMMENTS