শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে গেলে পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত চাপ নেয়ার প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা পড়তে হয়। শা...
ইলেকট্রনিক গ্যাজেট দূরে রাখুন : বিশ্বায়নের যুগে সকলেরই কমবেশি ইলেকট্রনিক গ্যাজেট আছে। তাই পড়তে বসার আগেই আপনার মোবাইল ফোন বা স্মার্ট ফোন পড়ার টেবিল থেকে দূরে রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট সুইচ অফ করে রাখুন। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার থেকে একেবারে বিরত থাকুন। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, মোবাইল ফোন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্টের সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ। তাই পড়ার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা অবশ্য দরকার।
বেশি রাত জাগবেন না: অনেকেই আছেন যারা অনেক রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করে থাকেন। এতে শিক্ষার্থীদের লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবার সম্ভবনা থাকে। তাই নির্দিষ্ট সময়ে না ঘুমিয়ে বেশি পড়াশোনা করলে আপনার ভালোর চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি। কৌশলগত পরিকল্পনা এবং পড়াশোনার জন্য আলাদা সময় আপনার পড়ালেখার মানকে উন্নত করবে। এটি আপনাকে পর্যাপ্ত সময় ঘুম, বিশ্রাম এবং সজাগ থাকতে সহায়তা করবে।
পড়াশোনার সকল সামগ্রী একসঙ্গে নিয়ে পড়তে বসুন : পড়তে বসার আগে পড়ার টেবিলে প্রয়োজনিয় বইপত্র, নোট এবং অন্যান্য দরকারি জিনিসপত্র একসঙ্গে নিয়ে বসুন। পড়ার মাঝখানে যেন টেবিল থেকে উঠতে না হয়। একটু পর পর টেবিল থেকে উঠলে একদিকে সময় নষ্ট হয় এবং অন্যদিকে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ও মনোযোগ নষ্ট হয়। তাই পড়তে বসে আসার আগে দরকারি সব বইপত্র সঙ্গে নিয়ে বসুন।
নোট করে রাখুন: পড়ার সময় পূর্ণ মনোযোগ দিন এবং প্রয়োজনিয় নোট লিখে রাখুন। এটি আপনাকে সক্রিয় রাখবে এবং পড়ার ফাঁকে ঘুমানোর সম্ভাবনা হ্রাস করবে। মনোযোগ বাড়াতে শব্দ করে পড়ুন।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান : পড়াশোনার বিরতির সময় পুষ্টিকর খাবার খান। এটি আপনার শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং উদ্দীপনা জোগাবে। কোনো বেলায় খাবার খাওয়া বাদ দিলে আপনার মধ্যে অলসতা চলে আসবে এবং পড়াশোনায় আগ্রহ পাবেন না।
একটু বিরতি নিন : পড়ার মাঝখানে একটু বিরতি নিন কারণ দীর্ঘ সময় পড়ার অভ্যাস ভালো নয়। শরীর এবং মন উভয়ের জন্য বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই শ্বাসপ্রশ্বাস ঠিকভাবে নেয়ার জন্য পড়ার ফাঁকে বিরতি নিন। মনকে প্রশান্তি দিতে হালকা গান শুনুন।
COMMENTS