সকাল সকাল বিছানা ছাড়ার অভ্যাস তৈরি করা মোটেই অসম্ভব নয়। জরিপে দেখা গেছে, ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে ...
সময় মতো শুতে যাওয়া এবং ওঠা : আমাদের দেহ নির্ধারিত রুটিনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে চায়। উইন্টার পরামর্শ দেন, প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা, ব্যায়াম ও খাওয়ার সময় একই রাখতে হবে। তবে শোবার সময় নিয়ে কোনো ধরা বাধা নেই। তার মতে, ‘দেহ আপনা আপনিই ক্লান্ত হয়ে ঘুমানোর সময় বেছে নেবে। গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল, জেগে থাকার সময় ঘুমিয়ে না পড়া।’
স্মার্ট অ্যালার্ম : প্রচলিত মোবাইলের অ্যালার্ম বা অন্যান্য অ্যালার্ম ঘড়ির ভেতরে ‘স্নুজ’ অপশনটি থাকে, যা চালু থাকলে নির্ধারিত সময়ের অ্যালার্ম থামিয়ে দেয়ার কিছুক্ষণ পর আবার বেজে ওঠে।
আলো আসতে দিন : হোক প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম- আলোর উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি, কেননা আলোর উপস্থিতি মস্তিষ্কের কাছে বার্তা পৌঁছায় যে, সকাল হয়েছে এবং মেলাটোনিন’য়ের মতো হরমোন নিঃসরণ এখন থামানো দরকার।
ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম : শরীরকে জাগিয়ে তোলার সবচেয়ে ভালো উপায় ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করা। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপালেশিয়ান স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দেখেছেন, সকালের শরীরচর্চা রক্তচাপ কমায়, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায় এবং রাতের ঘুম ভালো করতে সাহায্য করে।
আমিষ সমৃদ্ধ খাবার : এ ধরনের খাবার জেগে থাকতে সাহায্য করে, বিপরীতে শর্করা ঘুমের উদ্রেক করে।
ঘুমের জন্য তাড়াহুড়ো নয় : উইন্টার বলেন, ‘প্রথম কয়েকদিন আগে আগে ঘুমানো কঠিন মনে হতে পারে। এমন কি ঘুমানোর জন্য তাড়াহুড়ো করেও বসতে পারেন।’ তবে এটি ঠিক নয়। আগে ঘুমাতে যাওয়ার জন্য ঘুম ঘুম ভাব ধরে রাখার প্রয়োজন নেই ।
COMMENTS