পরিবেশ ও জিনগত কারণে মূলত তোতলামির সমস্যা হয়ে থাকে। স্বরযন্ত্র বা অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অসুখ কিংবা তার গঠনগত কোনো সমস্যা দায়ী নয়।শিশুরা যে ...

পরিবেশ ও জিনগত কারণে মূলত তোতলামির সমস্যা হয়ে থাকে। স্বরযন্ত্র বা অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অসুখ কিংবা তার গঠনগত কোনো সমস্যা দায়ী নয়।শিশুরা যে বয়সে কথা শেখে, সেই সময়ে কথা বলতে খানিকটা অসুবিধা হতেই পারে। একই ধ্বনি বারবার উচ্চারণ করতে করতেই একসময় তার কথা স্পষ্ট হয়ে উঠবে, এটা তোতলামি ভাবার কোনো কারণ নেই, চিকিৎসারও প্রয়োজন নেই।তবে কথা শেখার পর যদি শিশু তোতলায়, তাহলে কিছু বিষয় খেয়াল করুন। যদি বাড়িতে, স্কুলে বা শিশুর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে এমন কেউ থাকেযিনি তোতলামির সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে শিশুর কথার মাঝেও তোতলামি চলে আসতে পারে।শিশু যখন তোতলায় তখন তাকে তোতলানোর বিষয়টি ধরিয়ে দেওয়া যাবে না। তোতলামোর সময় তাকে থামতে বলা যাবে না কিংবা একবার উচ্চারণ করা কথার পুনরাবৃত্তি করার জন্য চাপ দেওয়া যাবে না। বরং ধৈর্য ধরে তার সম্পূর্ণ বাক্য শুনুন এবং তার সঙ্গে আরও বেশি কথা বলুন। এভাবেই ৮-১০ বছর বয়সের মধ্যে এ সমস্যা দূর হয়ে যেতে পারে।শিশু বয়সের পরেও যিনি তোতলামোর সমস্যায় ভুগছেন, তাঁকে নিজের মতো করে পড়তে এবং শুনতে দিতে হবে। তিনি নিজের কথা রেকর্ড করে রাখতে পারেন। তিনি রেকর্ড শুনে সঠিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করবেন। এ ছাড়া স্পিচ থেরাপি নেওয়া যেতে পারে। তোতলামি সারানোর কোনো কার্যকর ওষুধ নেই।তোতলামি নিয়ে লজ্জার কিছু নেই। আত্মবিশ্বাসী হোন। কথা বলতে গিয়ে আটকে গেলেও কথা থামাবেন না। পৃথিবীতে অনেকেই এ সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সাফল্য পেয়েছেন।
COMMENTS